
গলা ছেড়ে গান
Pop, female vocals · 2:39
“সেরা বন্ধুদের সাথে গরমের ছুটিতে লং ড্রাইভ, জানালা খোলা, গলা ছেড়ে গান”
এমন একটি তৈরি করুন
প্রিয় মানুষের জন্য গান
লম্বা কথা শুনলে বাবারা হাত নেড়ে উড়িয়ে দেন। কিন্তু নিজের নাম, নিজের বকুনি আর শেখানো কথা দিয়ে বানানো গান উড়িয়ে দেওয়া কঠিন — চুপচাপ সেটা তাঁর ফোনে বারবার বাজবে।
এই গানটা বানানপ্রথম গান বিনামূল্যে — কার্ড লাগবে না।
আমাদের বাবারা ভালোবাসা দেখান কাজ দিয়ে, কথা দিয়ে নয়: শীতের ভোরে সবার আগে উঠে কাজে বেরিয়ে, ফোনে শুধু “টাকা লাগবে?” জিজ্ঞেস করে, রেজাল্টের দিন স্কুলের গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে। উল্টো দিক থেকেও ধন্যবাদটা সহজে আসে না, কারণ বাবার সামনে আবেগ দেখানো আমাদের অভ্যাসেই নেই। গানে কাজটা হয় অন্যভাবে: আপনাকে কিছু বলতে হয় না, শুধু বাজিয়ে দিতে হয়।
তাঁকে নিয়ে কয়েকটা কথা লিখুন — আব্বু না বাবা বলে ডাকেন, তাঁর প্রিয় বুলি, সাইকেলের পেছনে বসিয়ে কোথায় নিয়ে যেতেন, কোন বকুনিটা পরে জীবনে কাজে লেগেছে। সেগুলো দিয়ে কথা লেখা হয়, সুর বাঁধা হয়, আর প্রায় এক মিনিটে আসল কণ্ঠে পুরো গান তৈরি হয়ে যায়। দিন বাবা দিবসে, তাঁর অবসরের দিনে, কিংবা যেদিন তিনি প্রথম দাদা বা নানা হলেন।

Pop, female vocals · 2:39
“সেরা বন্ধুদের সাথে গরমের ছুটিতে লং ড্রাইভ, জানালা খোলা, গলা ছেড়ে গান”
এমন একটি তৈরি করুনতাঁর বাঁধা বুলি — “আমাদের সময়ে…”, “আগে মানুষ হও” — যে কথায় পুরো পরিবার একসঙ্গে চোখ উল্টায়; মুখড়ার জন্য এর চেয়ে ভালো কিছু নেই।
হাতে-কলমে যা শিখিয়েছেন: সাইকেল চালানো, ঘুড়ি ওড়ানো আর লাটাই গোটানো, দেয়ালে সোজা করে পেরেক ঠোকা, ফিউজ বদলানো।
লম্বা অফিস বা দোকান সামলেও স্কুলের প্রতিটা অনুষ্ঠানে, প্রতিটা খেলায় যে তিনি ঠিক এসে দাঁড়াতেন।
যা নিয়ে তিনি চুপচাপ গর্বিত: পুরোনো স্কুটার, ছাদের বাগানের লাউ, রেডিওতে খেলার ধারাবিবরণী, পাড়ার দাবার আসর।
যে কড়া শাসন তখন অসহ্য লাগত আর পরে ঠিক প্রমাণ হলো — এখন হাসতে হাসতে বলা।
যে নামে ডাকেন — বাবা, আব্বু, আব্বা, বাপি — আর যে পাড়া বা গ্রামে আপনারা বড় হয়েছেন।
যে মুহূর্তে তাঁকে নরম হতে দেখেছেন: আপনার বিয়েতে বিদায়ের সময়, প্রথম চাকরির খবর শুনে, নাতিকে প্রথম কোলে নিয়ে।
সাইকেলের পেছনে বসে দেখেছি আকাশ বড়,
তোমার কাঁধে চড়ে শিখেছি — ভয় পেয়ো না, লড়ো,
পাড়ার লোকের কামাল ভাই, আমার কাছে বাবা,
মুখে তুমি বলো না কিছু, চোখে সবই আঁকা।
বাবার রুচিটাই ধরন বলে দেয়। যে বাবা রোববার সকালে পুরোনো দিনের আধুনিক গান চালান, তাঁর জন্য হারমোনিয়াম, তবলা আর নরম পুরুষকণ্ঠের মেজাজ। নদী-মাঠের গ্রামে বড় হওয়া বাবার মন ছোঁয় ভাটিয়ালি বা ভাওয়াইয়ার ঢং। আর নব্বইয়ের দশকে যৌবন কাটানো বাবা গোপনে এখনো ব্যান্ডের গিটারের ভক্ত — তাঁর জন্য রক ব্যালাড। যদি মনে হয় কথায় তিনি লজ্জা পাবেন, ইনস্ট্রুমেন্টাল মোডে শুধু সুরও বানানো যায়, তবে নিজের নাম গানের ভেতরে শোনাটাই সাধারণত বাবাদের সবচেয়ে বেশি ছোঁয়। মজা আর আবেগ মেশান: দুটো হাসির লাইন, তারপর একটা সত্যি ধন্যবাদ।
নাম, স্মৃতি, যেমন মেজাজ চান। যা ইচ্ছা বাদ দিতে পারেন।
কথা, সুর, কণ্ঠ আর কভার আর্ট — সবই আপনার উত্তর ঘিরে তৈরি।
MP3 ডাউনলোড করুন, লিংক শেয়ার করুন, অথবা সেখানেই বাজিয়ে দিন।
আসবে, কারণ এটা কোনো শিল্পীর গান নয়, তাঁর নিজের গল্প। সুরটা তাঁর চেনা জগতের কাছাকাছি রাখুন — ধরুন, পুরোনো দিনের আধুনিক গানের ঢং — আর কথায় রাখুন তাঁর নিজের বুলি আর অভ্যাস; নিজের নাম শুনলে সবচেয়ে গম্ভীর বাবাও কান পাতেন।
অনেক সময় আসে। ছোট আর সৎ করে লিখুন — একটা ভালো স্মৃতি, একটা ধন্যবাদ, হয়তো একটা “চলো আবার শুরু করি”; গান সরাসরি কথার চেয়ে নরমভাবে সেটা পৌঁছে দেয়।
যায়। কভার ছবি দিয়ে লিরিক ভিডিও সবাই বানাতে পারেন, আর সাবস্ক্রিপশনে নিজের ছবির স্লাইডশো দিয়ে — পারিবারিক অ্যালবামের পুরোনো ছবিগুলো এখানেই কাজে লাগে।
হ্যাঁ, ইনস্ট্রুমেন্টাল মোড আছে। তবে বাবার নামটা গানের কথায় শুনতে পাওয়াই সাধারণত আসল চমক।
পারেন। MP3 নামিয়ে স্পিকারে বাজান; সহকর্মীদের নাম আর কাজের জায়গার মজার ঘটনা বর্ণনায় দিলে গানটা পুরো ঘরের হয়ে উঠবে।
বলুন গানটা কার জন্য আর কী ঘটেছে। বাকিটা আমরা সামলে নেব।